Vastu Tips

Vastu Plants: বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণে লাগান এই ৪ গাছ! বাস্তু দোষ কেটে হবে ধনলাভ

blank

হিন্দু ধর্ম এবং বাস্তুশাস্ত্রে (Vastu Shastra) গাছপালার গুরুত্ব অপরিসীম। গাছ শুধু বাড়ির সৌন্দর্যই বাড়ায় না, বরং এর সঠিক অবস্থান বাড়ির শক্তি (Energy), সৌভাগ্য এবং আর্থিক অবস্থার ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। ভুল দিকে লাগানো গাছ যেমন জীবনে বাধা তৈরি করতে পারে, তেমনি সঠিক দিকে লাগানো একটি চারাগাছ আপনার ঘরে পজিটিভ এনার্জি বা ইতিবাচক শক্তি নিয়ে আসতে পারে।

বাস্তুবিদদের মতে, বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিক অর্থাৎ ঈশান কোণ (North-East Corner) হলো সবচেয়ে পবিত্র স্থান। এই দিকটি সঠিকভাবে সাজানো থাকলে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখলে বাড়িতে সুখ ও সমৃদ্ধি বজায় থাকে। মানসিক চাপ কমিয়ে আর্থিক স্থিতিশীলতা (Financial Stability) বজায় রাখতে ঈশান কোণে নির্দিষ্ট কিছু গাছ লাগানো অত্যন্ত জরুরি। দেখে নিন তালিকায় কোন কোন গাছ রয়েছে:

ক্র্যাসুলা গাছ (Crassula Plant): বাস্তুশাস্ত্রে ক্র্যাসুলাকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করা হয়। উত্তর-পূর্ব দিকে এই গাছ রাখা সবচেয়ে শুভ, কারণ এটি দ্রুত পজিটিভ এনার্জিকে সক্রিয় করে। যদি উত্তর-পূর্ব কোণে জায়গা না থাকে, তবে উত্তর বা পূর্ব দিকেও এটি লাগানো যেতে পারে। বিশ্বাস করা হয়, ক্র্যাসুলা গাছ ধীরে ধীরে আর্থিক কষ্ট দূর করে ধনের নতুন সুযোগ (Opportunities) তৈরি করে।

অপরাজিতা গাছ (Clitoria Ternatea): হিন্দু ধর্মে অপরাজিতা ফুল অত্যন্ত পবিত্র। দেবী লক্ষ্মী ও ভগবান বিষ্ণুর প্রিয় এই ফুল বাড়িতে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বাড়ায়। বাস্তু মতে, উত্তর-পূর্ব দিকে এই লতানো গাছটি লাগালে জীবনের যাবতীয় বাধা (Obstacles) দূর হয় এবং ঘরে শান্তি ও ভারসাম্য বজায় থাকে।

মোগরা ফুল (Jasmine): সুগন্ধি মোগরা ফুল কেবল পরিবেশকেই বিশুদ্ধ (Purify) করে না, এটি বাড়ির অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা ও মানসিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে। ঈশান কোণে মোগরা গাছ লাগালে ঘরের সদস্যদের মধ্যে সদ্ভাব বজায় থাকে এবং অশুভ শক্তি দূরে থাকে।

শামী গাছ (Shami Plant): বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী শামী গাছ অত্যন্ত প্রভাবশালী। বলা হয়, এটি ভগবান শনিদেবের প্রিয় গাছ। সঠিক দিকে এই গাছ রোপণ করলে শনি দোষ (Shani Dosha) থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণে শামী গাছ লাগালে নেতিবাচকতা দূর হয় এবং জীবনের কঠিন সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *