অনেকেই হাড়ভাঙা খাটুনি করে উপার্জন করলেও মাসের শেষে সঞ্চয়ের ভাঁড়ার শূন্য থাকে। শত চেষ্টা করেও সংসারের খরচ কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় না। বাস্তুশাস্ত্র মতে, পরিশ্রমের পরেও টাকা হাতে না থাকার অন্যতম কারণ হতে পারে বাড়িতে জমে থাকা নেগেটিভ এনার্জি বা অশুভ শক্তি। যেখানে অশুভ শক্তির বাস, সেখান থেকে মা লক্ষ্মী বিদায় নেন।
বাস্তু মেনে নিচের ৫টি পরিবর্তন করলেই আপনার সংসারে ফিরবে শ্রী এবং কমবে অনর্থক খরচ:
১. প্রবেশপথে ‘প্রাকৃতিক’ রক্ষী: বাড়ির মূল দরজা দিয়েই শুভ বা অশুভ শক্তি প্রবেশ করে। তাই দরজার বাইরে নেগেটিভ এনার্জি রুখতে প্রাকৃতিক রক্ষী হিসেবে দুটি গাছ লাগানো জরুরি। দরজার একপাশে কলা গাছ এবং অন্যপাশে তুলসী গাছ রোপণ করুন। এটি অশুভ শক্তিকে ঘরে ঢুকতে বাধা দেয় এবং সদস্যদের উন্নতির পথ প্রশস্ত করে।
২. তামার মুদ্রার ম্যাজিক: আর্থিক অপচয় রুখতে তামার কয়েন অত্যন্ত কার্যকরী। দোল, দীপাবলি বা মহাশিবরাত্রির মতো শুভ দিনে তিনটি তামার কয়েন বিধি মেনে পুজো করুন। পুজোর পর কয়েনগুলো লাল কাপড়ে মুড়ে আপনার আলমারি বা লকারে রেখে দিন। এতে সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
৩. ক্রিস্টালের শিবলিঙ্গ স্থাপন: ঠাকুরঘর হলো বাড়ির শক্তির কেন্দ্রবিন্দু। বাস্তুবিদদের মতে, ঠাকুরের আসনে একটি ক্রিস্টালের শিবলিঙ্গ রাখা অত্যন্ত শুভ। নিয়মিত এটি পুজো করলে এবং ঠাকুরঘর পরিষ্কার রাখলে সংসারে শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় থাকে।
৪. শাঁখ ও প্রদীপের পবিত্রতা: প্রতিদিন সকাল এবং সন্ধ্যায় নিয়ম করে প্রদীপ জ্বালান। পুজোর সময় শাঁখ বাজাতে ভুলবেন না। শাঁখের শব্দে নেগেটিভ এনার্জি দূর হয় এবং পজিটিভ ভাইবস তৈরি হয়। এর ফলে উপার্জনের নতুন নতুন পথ খুলে যায় এবং মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ বর্ষিত হয়।