জ্যোতিষশাস্ত্রে শনিদেবকে মনে করা হয় ‘কর্মফল দাতা’। শনির দৃষ্টি যার ওপর পড়ে, তার জীবনে অনেক সময় ঝড় নেমে আসে। বিশেষ করে কোষ্ঠীতে শনির সাড়ে সাতি বা ধাইয়া চললে শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক বিপর্যয় দেখা দেয়। তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই! জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, শনির প্রিয় রং কালো, আর এই কালোর প্রতীক কয়লা ব্যবহার করেই শনির অশুভ প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
শনি ও কয়লার রহস্যময় সম্পর্ক
বৈদিক জ্যোতিষ মতে, কয়লার মধ্যে শনির নেতিবাচক শক্তি শুষে নেওয়ার এক অদ্ভুত ক্ষমতা রয়েছে। তবে মনে রাখবেন, যেকোনো প্রতিকার তখনই কাজ করে যখন আপনার মন পরিষ্কার থাকে। অন্যের অনিষ্ট চিন্তা করলে শনির কোনো টোটকাই সুফল দেবে না।
শনির দশা কাটাতে কয়লার অব্যর্থ টোটকা
-
সাড়ে সাতি ও ধাইয়া থেকে মুক্তি: আপনার রাশিতে যদি শনির দশা চলে, তবে প্রতি শনিবার এক টুকরো কয়লা নিন। সেটি নিজের মাথার ওপর দিয়ে সাতবার ঘুরিয়ে (এন্টি-ক্লকওয়াইজ) কোনো বয়ে যাওয়া নদীর জলে ভাসিয়ে দিন। এতে শনির প্রকোপ ধীরে ধীরে কমতে থাকে।
-
কেরিয়ার ও কর্মক্ষেত্রের বাধা দূর করতে: যদি শনি ও রাহুর মিলিত প্রভাবে পেশাগত জীবনে উন্নতি থমকে যায়, তবে শনিবার সন্ধ্যায় একটি কালো কাপড়ে কয়েক টুকরো কয়লা, অল্প কালো তিল এবং একটি লোহার পেরেক বেঁধে নিন। এই পুঁটলিটি কোনো শনি মন্দিরে গিয়ে নিজের মনের ইচ্ছা জানিয়ে রেখে আসুন। তবে সাবধান! এটি যেন কারো ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে না হয়।
-
সংসারের অশান্তি ও কুদৃষ্টি কাটাতে: বাড়িতে যদি নেতিবাচক পরিবেশ থাকে বা কারোর নজর লেগেছে বলে মনে হয়, তবে শনিবার রাতে কয়লা জ্বালিয়ে তাতে সামান্য গুগুল বা লোবান দিন। এই ধোঁয়া সারা বাড়িতে ছড়িয়ে দিন। এতে গৃহকোণে পজিটিভ এনার্জি বাড়ে এবং অশুভ শক্তি বিদায় নেয়।